Jomi Porimap BDডিজিটাল ভূমি সেবা ও পরিমাপ নির্দেশিকা

শতক, কাঠা, বিঘা ও একরের হিসাব
এক নজরে, ভুল ছাড়াই

যেকোনো একটি ঘরে সংখ্যা লিখুন — বাকি সব এককের মান সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাবে। জমি কেনাবেচা, ভাগবাঁটোয়ারা, প্লট মাপা কিংবা বিদেশ থেকে জমির হিসাব মেলানোর জন্য তৈরি।

একক রূপান্তর

যেকোনো ঘরে লিখুন
ভিত্তি একক
১ = ৪৩৫.৬ বর্গফুট
১ = ৭২০ বর্গফুট
১ = ১৪,৪০০ বর্গফুট
১ = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট
১ = ১০.৭৬৩৯ বর্গফুট

হিসাব শুরু করতে যেকোনো ঘরে সংখ্যা লিখুন।

প্রচলিত রূপান্তর সূত্র

সারা দেশে ব্যবহৃত আদর্শ মান। এই সূত্রগুলোর উপরেই উপরের ক্যালকুলেটর চলে।

  • ১ শতক (ডেসিমাল) ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
  • ১ কাঠা ৭২০ বর্গফুট
  • ১ বিঘা ১৪,৪০০ বর্গফুট
  • ১ একর ৪৩,৫৬০ বর্গফুট
  • ১ বর্গমিটার ১০.৭৬৩৯ বর্গফুট
  • ১ বিঘা ২০ কাঠা
  • ১ একর ১০০ শতক
  • ১ কাঠা ১.৬৫২৯ শতক

আদর্শ পরিমাপ তালিকা

দলিল, খতিয়ান ও নকশায় সাধারণত যে এককগুলো লেখা থাকে, তার গাণিতিক সমমান। ছোট পর্দায় টেবিলটি ডানে-বামে সরিয়ে দেখুন।

একক অনুযায়ী সমমান — সব মান বর্গফুট ভিত্তিতে হিসাব করা
একক বর্গফুট শতক কাঠা বিঘা একর বর্গমিটার

মনে রাখুন: কাঠা ও বিঘার মাপ সব এলাকায় এক নয়। ঢাকাসহ দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট এবং ১ বিঘা = ২০ কাঠা ধরা হয়, যা এই সাইটে ব্যবহার করা হয়েছে। কিছু জেলায় স্থানীয়ভাবে ভিন্ন মাপ (যেমন ১৬ ছটাক, ভিন্ন কানি-গণ্ডা হিসাব) চালু আছে। দলিল লেখার আগে স্থানীয় সার্ভেয়ার বা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে প্রচলিত মাপ যাচাই করে নিন।

আঞ্চলিক ও পুরোনো এককগুলো

পুরোনো দলিল ও খতিয়ানে এখনো যেসব একক পাওয়া যায়, তার আধুনিক সমমান।

ঐতিহ্যবাহী একক ও তার প্রচলিত সমমান
এককপ্রচলিত হিসাববর্গফুটসাধারণত যেখানে ব্যবহৃত
১ ছটাক১/১৬ কাঠা৪৫শহর এলাকার পুরোনো দলিল
১ কাঠা১৬ ছটাক৭২০সারা দেশে, বিশেষত শহরে
১ গণ্ডা২ শতক৮৭১.২বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী
১ কানি (প্রচলিত)২০ গণ্ডা / ৪০ শতক১৭,৪২৪চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কুমিল্লা
১ কড়া১/৪ গণ্ডা২১৭.৮পুরোনো রেকর্ড ও ওয়ারিশ বণ্টন
১ শতাংশ / শতক১/১০০ একর৪৩৫.৬খতিয়ান ও দলিলের প্রধান একক
১ হেক্টর২.৪৭১ একর১,০৭,৬৩৯কৃষি ও জরিপ পরিসংখ্যান

জমি মাপার আগে যা জানা দরকার

জমির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ফুটে মেপে গুণ করলেই মোট বর্গফুট পাওয়া যায়। যেমন ৩০ ফুট বাই ২৪ ফুট একটি প্লটের ক্ষেত্রফল ৭২০ বর্গফুট, অর্থাৎ ঠিক ১ কাঠা। প্লট চারকোনা না হলে জমিটিকে কয়েকটি ত্রিভুজ বা আয়তক্ষেত্রে ভাগ করে আলাদাভাবে ক্ষেত্রফল বের করে যোগ করতে হয়।

তবে কাগজে লেখা পরিমাণ আর বাস্তবে দখলে থাকা জমি এক না-ও হতে পারে। দলিলে উল্লেখ করা শতক বা কাঠার পরিমাণের সঙ্গে সরেজমিন মাপ মেলানোর কাজটি একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত আমিন বা সার্ভেয়ারকে দিয়ে করানোই নিরাপদ। বিশেষ করে শরিকি জমি, নাল জমি বা রাস্তার পাশের জমির ক্ষেত্রে সীমানা নিয়ে বিরোধ খুব সাধারণ ঘটনা।

এই ক্যালকুলেটরটি গাণিতিক রূপান্তরের জন্য — এটি আপনার জমির দলিল, নকশা বা দখল যাচাই করে না। হিসাবটি ব্যবহার করুন প্রাথমিক ধারণা নিতে, আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে ভূমি গাইড অংশের আইনি সতর্কতাগুলো পড়ে নিন।